লোঙা খুমি: রুমা প্রতিনিধি :রুমা আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের বীরবাহাদুর ত্রিপুরা এর আইডি (Bir Pratap) নামে এক শিক্ষকের নিজস্ব ফেইসবুক আইডি থেকে হুমকি দেওয়া স্ট্যাটাস ভাইরাল ! কিছু দিন আগে Vate kuki নিজস্ব ফেইসবুক পেইজে লাইক কমেন্টস এর মধ্যে বীর বাহাদুর ত্রিপুরা (Bir Pratap) কে উগ্রপন্থী সাম্প্রদায়িক সশস্ত্র গ্রুপের কেদার স্টাইলে হুমকি দিতে দেখা যায় ! তা নিম্নে হুবহু লেখা তুলে ধরলাম,,
১তম লেখা —–
Va te kuki ভা তে কু বাবু মাঝে ২ এই পেইজ টিকে ভূয়া বলে প্রচার করেছেন । আর এই পেইজ দিয়ে হূমি দিয়েছ কি মনে কর তোমরা ? ভা তে কু বাবু ? জীবনে ভূলেও এই কাজ করিওনা । তোমাদের লোকেশন কোন জায়গায় থাক সব গুলো জানি আমরা তোমাদের মত চিন্তাবিহীন নয় যার এতদিন শান্তি চয়েছি । তোমরা তিনজনকে মেরেছ আমরা এখনো মাঠে নামেনি । যখন মাঠে নামব তখন বুঝবা আমরা কি জিনিস । আবারও বলছি লেখি বন্ধ কর সবার সম্মুখে আস স্বাধীনভাবে চলাফেরা কর । আমরা এখনও কাওকে ক্ষতি করেনি ।এখন যদি একটা ত্রিপুরা মরলে দেখে নিও সংগ্রাম কাকে বলে । ঠিক আছে ভা তেকু বাবু । আমি এই পেইজের আর উস্কানিমূলক লেখালেখি দেখতে চাই না সেই রিপোর্টার হোক বা তুমি । ভাল থাক ।
২য় তম—–
Bir Pratap
Va te kuki ভা তে কু বাবু মাঝে ২ এই পেইজ টিকে ভূয়া বলে প্রচার করেছেন। আর এই পেইজ দিয়ে হুমি দিয়েছ কি মনে কর তোমরা ? ভা তে কু বাবু ? জীবনে ভূলেও এই কাজ করিওনা। তোমাদের লোকেশন কোন জায়গায় থাক সব গুলো জানি আমরা তোমাদের মত চিন্তাবিহীন নয় যার এতদিন শান্তি চয়েছি। তোমরা তিনজন কে মেরেছ আমরা এখনও মাঠে নামেনি ।যখন মাঠে নামব তখন বুঝবা আমরা কি জিনিস । আবারও বলছি লেখি বন্ধ কর সবার সম্মুখে আস স্বাধীনভাবে চলাফেরা কর ।
এখন রুমায় সুশীল সমাজ ও রুমা আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবকদের মধ্যে চরম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ছাত্র/ছাত্রীদের কথার কথা অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ জেএসএস/কুকি-চীন সশস্ত্র গ্রুপের গিয়ে কাঁধে অস্ত্র নিতেও বলেন ! একজন শিক্ষকের এমন আচরণে এলাকাবাসী সহ অভিভাবকগণ খুবই মর্মাহত ও হতাশা প্রকাশ করেছেন । এই নিয়ে অফিস , রাস্তার ঘাট সহ চায়ের দোকানে আলোচনা কেন্দ্র বিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে ! বীর বাহাদুর ত্রিপুরা (Bir Pratap) কাছে জানতে চাইলে বলেন,, পরে কথা বলব সময় নাই বলে গনমাধ্যম কর্মীদের এড়িয়ে যান তিনি ! অভিযোগ রয়েছে, স্কুলে রাত যাপন করে নিয়মিত থাকার কথা থাকলেও নিয়মনীতি কে বৃদ্ধা আঙুল/তোয়াক্কা না করে সন্ধ্যায় হলে নিজ বাসায় চলে আসেন। নিজ বাসায় নিয়মিত টিউশনি গড়ে তুলেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বীর বাহাদুর ত্রিপুরা শিক্ষকতার আগেও তার দু:চরিত্রতা জন্য সামাজিক ভাবে হেনস্থার শিকার হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল সূত্রে জানা গেছে । আর স্কুলে নবনিযুক্ত শিক্ষক যোগদান পর থেকে শিক্ষদের মধ্যে দলাদলি, কারোর কথা রেকর্ডিং,ভিডিও করে রাখা যেন তার নিয়মিত রুটিন ! নবনিযুক্ত শিক্ষক যোগদান পরপর স্কুলে সাবেক প্রধান শিক্ষক সঞ্চয় মিত্র ও সিনিয়র শিক্ষক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে ষড়যন্ত্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে প্রেষনে/বদলি করা পিছনে তার প্রধান খলনায়কের চরিত্রে ভূমিকা ছিল বলে এই দুই শিক্ষক গনমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন। এই দলাদলি/গ্রুপ করা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ওপর নির্ঘাত প্রভাব ফেলবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
বীর বাহাদুর ত্রিপুরা শিক্ষকের এমন আচরণে স্কুলে প্রধান শিক্ষক লাভলু ত্রিপুরা কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমাকে না জড়ালে ভালো হয় বলে মন্তব্য করেন । উন্নয়ন বোর্ডের ইফতেখার হোসেন ( যুগ্ন সচিব) কে উপরোল্লেখিত বিষয়ে অবহিত করা হলে তার বিপরীতে দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক একজন শিক্ষকের পক্ষে এমন আচরণ পরিলক্ষিত হওয়ায় আমরা মর্মাহত ও আশা করিনা । স্কুলের জন্য দুর্নাম সহ মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে ক্ষতিয়ে দেখবেন বলে গনমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন ।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি